1. admin@bangladeshbarta71.com : admin :
শনিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

মধুপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতারকে মধুপুর প্রেসক্লাবের মরণোত্তর সংবর্ধনা

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৭২ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতারকে মরণোত্তর সংবর্ধনা প্রদান করেছে মধুপুর প্রেসক্লাব।
(১৪ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে মধুপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই স্মরণসভা মরণোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং অর্থ সম্পাদক এস এম শহীদের সঞ্চালনায় এ স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতারের অনুজ (ছোটভাই) মীর মুহম্মদ আশরাফ হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধুপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক গোলাম ছামদানী, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান মন্টু, চারুশীলনের পরিচালক ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

এসময় মধুপুর প্রেসক্লাবের বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। স্মরণসভা শেষে মধুপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতারকে দেয়া মরণোত্তর সংবর্ধনার সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতারের অনুজ (ছোটভাই) মীর মুহম্মদ আশরাফ হোসেন। পরে মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমীনের সভাপতিত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষ্যে মধুপুর উপজেলা প্রশাসন শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আখতার ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী বুদ্ধিজীবী টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কিসামত গ্রামে ১৯৩৯ সালের ১ আগষ্ট জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মীর মো.হাসানআলী ১৯৫৪ সালে ধনবাড়ী নওয়াব ইনিস্টিটিউশন থেকে মাধ্যািমক, ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময়ে তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন।

১৯৫৫ সালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় সংশোধক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। ইত্তেফাক ছেড়ে সে সময়ের রেডিও পাকিস্তানের পাক্ষিক পত্রিকা এলান এ যোগ দেন। পরে তার ব্যবস্থাপনায় দেশের প্রথম পাক্ষিক ম্যাগাজিন ‘ললনা’ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে একটি মাসিক সাহিত্য ম্যাগাজিন সমীপেষ ুপ্রকাশ করেন। তিনি ঢাকার ৪২/৪৩ পুরানাপল্টনের বাসায় প্রগতীশীল রাজনৈতিক সহকর্মীদের অবাধ যাতায়াত ছিল। স্বাধীনত্রা প্রশ্নে তিনি ছিলেন সোচ্চার। যেকারণে তিনি রাজাকার আলবদরদের রোষানলে পরিণত হন।

১৯৭১ সালের ১০ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী কতৃক অপহৃত হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে হত্যা করে রায়ের বাজার বধ্য ভূমিতে ফেলে রাখা হয়। ১৮ ডিসেম্বর তার ছোট ভাই মুহম্মদ আশরাফ রায়ের বাজার বধ্য ভূমিতে বিকৃত মৃতদেহটি সনাক্ত করেন। মুহম্মদ আখতাররা ছিলেন ৪ ভাই বোন। মৃত্যুকালে তিনি ছিলেন অবিবাহিত। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৪ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মারক ডাকটিকেট প্রথম পর্যায়ে মুহম্মদ আখতার এর নামে প্রকাশকরে। গতকাল ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক মুহম্মদ আখতার এর গ্রামেরবাড়ীতে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর