1. admin@bangladeshbarta71.com : admin :
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

আল্লাহর পথে শহিদ হতে কী করতে হবে জানালেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

বাংলাদেশ বার্তা ৭১
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩১ বার পঠিত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনি বলেছেন, শহিদরা আল্লাহর মনোনীত। তারা সঠিক পথ নির্বাচন করেছেন এবং আল্লাহও তাদেরকে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য মনোনীত করেছেন। আমাদের বৈষয়িক হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে শহিদদের মূল্য নির্ধারণ সম্ভব নয়।

তিনি ইরানের ‘জানজান’ প্রদেশের শহিদদের স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজকদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেছেন। কয়েক দিন আগে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দেওয়া সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্য বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) তার দপ্তর থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, শহিদরা পৃথিবীর সর্বোত্তম বাণিজ্যে বিজয় লাভ করেছে : হে ঈমানদাররা! আমি কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যবসার সন্ধান দেব, যা তোমাদেরকে রক্ষা করবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে? তা এই যে, তোমরা আল্লাহ ও তার রাসুলের ওপর ঈমান আনবে এবং তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন দ্বারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা জানতে! (সুরা আস-সফ, আয়াত ১১ ও ১২)

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনি বলেন, শাহাদাৎ হলো চূড়া, তবে ঢাল ছাড়া চূড়া অর্থহীন। আমরা অনেকেই চূড়ায় পৌঁছাতে চাই। এ জন্য আমাদেরকে ঢাল পার হয়ে ওপরে উঠতে হবে, সেখানে চূড়ায় ওঠার পথ খুঁজে বের করতে হবে। ঢাল অতিক্রম না করে চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব নয়। এই ঢাল এবং এই পথ কী? এগুলো হলো আন্তরিকতা, আত্মত্যাগ, সত্যবাদিতা, আধ্যাত্মিকতা, সংগ্রাম, ক্ষমা, আল্লাহর প্রতি গভীর মনোযোগ, মানবসেবা, ন্যায়ের পথে সংগ্রাম এবং ধর্মের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা-প্রচেষ্টা। আপনি যদি এই পথে চলেন তাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত চূড়ায় পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, শহিদদের স্মরণ ও তাদের সম্মান জানানো সাধারণ কোনো কাজ নয়। এটি সত্যিই বড় সওয়াবের কাজ। এটা এমন এক দায়িত্ব যা এখনো শেষ হয়নি বরং কেবল শুরু হয়েছে। এটা অব্যাহত থাকবে। এটা অবশ্যই অব্যাহত থাকা উচিত। শহিদদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে অনেক ভালো কাজ হয়েছে, তবে আরো কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। শক্তিশালী উপাদান হিসেবে ধর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে শহিদদের স্মৃতিকথার সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, সন্তান হয়তো আর ফিরে আসবে না তা জেনেও অনেক মা-বাবা তাদের তরুণ সন্তানদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠান। অনেকেই তাদের স্বামীকে হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেন। এর উৎস কি ধর্মীয় ও ঐশী দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? এই শক্তিশালী উপাদানের বিশ্লেষণ জরুরি।

তিনি আরো বলেন, যুদ্ধ ক্ষেত্রের পেছনে অবস্থান নিয়ে নারীরা যেসব কাজ করেছেন, পদক্ষেপ নিয়েছেন সেগুলো বিস্ময়কর। তারা খাবার, মোরব্বা এবং রুটি তৈরি করেছেন। যোদ্ধাদের রক্তাক্ত কাপড় এবং হাসপাতালের রক্তাক্ত চাদর ধুয়ে দিয়েছেন। নারীরা যে সেবা দিয়েছেন তা অতুলনীয়। খবর পার্সটুডের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর